সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশের সাংস্কৃতিক পর্যটন খাত থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়ন সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী পর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সুপ্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে সঠিকভাবে ব্র্যান্ডিং করতে পারলে পর্যটন খাতে নতুন উন্মোচন ঘটবে। মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো কেবল পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমাদের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোকে পর্যটকবান্ধব করে তুলে ধরে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পর্যটনমন্ত্রী জানান, দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী স্থান বাছাই এবং এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর ও যৌথ কমিটি গঠন করা হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, বর্তমানে পর্যটন খাত থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ, যা যৌথ প্রচেষ্টায় ৭-৮ শতাংশে নেওয়া সম্ভব।
সভায় ‘Unlocking Bangladesh’s Creative Economy Through Cultural Tourism’ শীর্ষক একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় বিশ্ব পর্যটকদের প্রায় ৪০ শতাংশই সাংস্কৃতিক পর্যটনে আগ্রহী।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (নীতি ও কৌশল) ড. জাহেদুর রহমান, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতারসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।