এক অপার্থিব চাওয়ায় ক্রমশ নিমজ্জিত হচ্ছি,
দূর থেকে দূরে সরে যাচ্ছি যেন কয়েকশ আলোকবর্ষ দূরে।
তবুও প্রেম ছুঁয়ে যায়—কামনা-বাসনার ঊর্ধ্বে,
আমি হারিয়ে যাচ্ছি, কল্পনার কাছে আসছি ধীরে ধীরে।
তোমারও কি তাই? আলোকবর্ষ দূরে দাঁড়িয়ে
দেখছ কি সেই একই প্রতিচ্ছবি—
যা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর,
অস্পষ্ট এক হলুদাভ রশ্মি?
কাছে যাওয়া মানা, ছোঁয়া মানা—শুধুই অনুভবে।
তবে কি আমি প্রতিশোধ নিচ্ছি?
এক অপার্থিব প্রেম এলো
ঘটা করে লালগালিচা বেয়ে।
আমি ছুটছি, পালিয়ে যাচ্ছি,
পিছু থেকে সে-ই আসছে ধেয়ে।
আলোর রশ্মিকে নিশানা করে
হেঁটে চলেছি অনন্তকালের যাত্রায়।
তুমিও থেকো কিন্তু—
একই সঙ্গে, একই লয়-তাল-মাত্রায়।
তোমার মরিচা ধরা তানপুরায়
সুর তোলো করুণ রাগিণী দিয়ে।
আমি তার সুর হয়ে
ঝরব আকুল নিশি-দিনে।
আবার বাজবে সুরলহরী,
নূপুরের নিক্কণ পায়ে পায়ে।
আমি নূপুর পরে তুলব যে সুর—
শুধুই তোমার বীণায়।