স্কুলের পোশাক পরা, হাতে আইসক্রিম, মুখে মিষ্টি হাসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি শৈশবের ছবিকে ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ছবির মেয়েটি বাংলাদেশের পরিচিত চিকিৎসক ও তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
মেধা, শিক্ষা ও চিকিৎসা পেশায় নিজের পরিচিতি গড়ে তোলা জোবাইদা রহমানের জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে ছবিটিকে কেন্দ্র করে।
শিক্ষাজীবন ও চিকিৎসা পেশা
ডা. জোবাইদা রহমান সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে বিসিএস (স্বাস্থ্য) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে সরকারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বাবা প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক নৌবাহিনী প্রধান। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ভাতিজিও।
১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন
১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জোবাইদা রহমান। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে লন্ডনে যান তিনি।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০২৫ সালের ৬ মে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফেরেন ডা. জোবাইদা রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন সে সময় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।
মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড
ডা. জোবাইদা রহমান জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। স্বাস্থ্যসেবা, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন আয়োজনে উঠে এসেছে।
চিকিৎসা পেশায় অর্জিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়েও আগ্রহ রয়েছে মানুষের।
শৈশবের একটি ছবি হয়তো মানুষের মনে নস্টালজিয়া তৈরি করে। তবে সেই ছবির আড়ালে থাকা ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত পরিচয় গড়ে ওঠে তাঁর শিক্ষা, কর্মজীবন ও অবদানের মধ্য দিয়ে।
কালান্তর নিউজ | ডেস্ক রিপোর্ট