খুলনায় তারেক রহমানের আগমন ঘিরে কেসিসি প্রশাসকের ভূমিকা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ
বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনায় আগমনকে কেন্দ্র করে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ভাইয়ের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ক্ষুব্ধ জনগণ সরাসরি প্রশাসককে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন তোলেন “কেসিসির মাননীয় প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ভাই, আপনাকে তারেক রহমান দায়িত্ব দিয়েছে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার জন্য।”
নিরাপত্তার নামে জনরোষের অভিযোগ:
পোস্টদাতার অভিযোগ, তারেক রহমানের আগমনের আগ মুহূর্তে তার নিরাপত্তার নামে এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা জনরোষ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করছে এবং পরোক্ষভাবে তার জনপ্রিয়তা হ্রাস করছে।
ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তোলেন
“আপনি কী জানেন আপনার প্রশাসন টাকার নিয়ে কিছু জায়গায় ভাঙে নাই? আপনি কি সাময়িকভাবে যাদেরকে হ্যারাসমেন্ট করেছে কেন করেছে জিজ্ঞাসা করেছেন? নাকি খুলনার সাধারণ জনগণ ও বিএনপির তৃণমূল কর্মী জানবে আপনিও আওয়ামীলীগ ও জামায়াতের উদ্দেশ্য পালন করছেন।”
জনগণের চাহিদা ও লক্ষ্য পূরণে কতটা সফল কেসিসি?
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, নতুন প্রশাসক আসার পর নগরীর যানজট, ড্রেনেজ, পার্কিং সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। কিন্তু হাসপাতালের সামনে পার্কিং উচ্ছেদ অভিযানের মতো ঘটনায় রোগীর স্বজনরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এতে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে – জনগণের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কেসিসি কতটা সফল?
জনগণের প্রশ্ন “Nazrul Islam Monju ভাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা ও তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করাও আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। Tarique Rahman স্বৈরাচার কোন প্রধানমন্ত্রী নয়, যে তাকে কাঁচের ঘরের মধ্যে থেকে সভা করতে হবে।”
আরাফাত হোসেন প্রসঙ্গ:
পোস্টে কেসিসির এক কর্মকর্তা জনাব আরাফাত হোসেনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, তার কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে জবাবদিহিতা করা উচিত। পোস্টদাতার ভাষ্য অনুযায়ী, “যদি সে সঠিক থাকে, তাকে পুরস্কৃত করা উচিত। অন্যদিকে সে ভুল থাকলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।”
এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, তারেক রহমানের খুলনা সফরের আগে প্রশাসনের উচিত জনবান্ধব আচরণ করা, যাতে কোনোভাবেই নেতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়।
কালান্তর নিউজ / খুলনা