গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে নির্ধারিত বক্তব্য প্রদান প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দেশটির সরকার। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উক্ত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমের উদ্যোগ, যার সাথে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই অবস্থান তুলে ধরেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া’ আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার। গণঅভ্যুত্থানের পর এটিই প্রকাশ্য কোনো গণমাধ্যম বা ফোরামে তার প্রথম নির্ধারিত ভাষণ হতে যাচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ওই অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা বা ক্লাব আয়োজন করছে। এতে ভারত সরকারের কোনো ধরনের ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা নেই। এবং সেই মঞ্চে কোনো মতামত প্রকাশ করা হলে ভারত সরকার তার কোনোটিই সমর্থন বা অনুমোদন করে না।”
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে যাওয়ার পর থেকে নিয়মিতই নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আসছিলেন। তবে প্রকাশ্য কোনো ফোরামে সরাসরি বক্তব্য দেওয়ার উদ্যোগ এটিই প্রথম, যা নিয়ে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।