চট্টগ্রাম শহরের কল্পলোক আবাসিক এলাকার এফ ব্লকের ৮ নম্বর রোডের ৫২১ নম্বর প্লটের ‘আজিজ উকিল বিল্ডিং’-এর একটি ফ্ল্যাটে বিষাক্ত গোখরো সাপের উপদ্রবে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে একটি পরিবার। বিগত চার মাস ধরে পরিবার নিয়ে উক্ত ভবনের দ্বিতীয় তলায় বসবাস করছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ডাক্তার এস ইউ এম ইলিয়াস সিকদার।
ভাড়াটিয়া সূত্রে জানা যায়, বাহ্যিকভাবে ফ্ল্যাটটি দেখতে স্বাভাবিক মনে হলেও গত ১০ বছর ধরে এর রঙ, ইলেকট্রিক সরঞ্জাম ও পানির লাইনে নানাবিধ ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। বাসা ভাড়া নেওয়ার পর এসব সমস্যা দৃষ্টিগোচর হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত দারোয়ান জামালকে বারবার সংস্কারের অনুরোধ জানানো হলেও কালক্ষেপণ করা হয়। এমনকি অগ্রিম জামানতের দুই মাসের টাকা ফেরত চাইলে তা দিতেও অস্বীকৃতি জানানো হয়।
বিদ্যমান ভোগান্তির মধ্যেই গত ১৯ আগস্ট সকালে বাচ্চার বিছানার নিচে একটি বিষাক্ত গোখরো সাপের বাচ্চা দেখতে পাওয়া যায়। পরদিন ২০ আগস্ট রান্নাঘরে আবারও আরেকটি গোখরো সাপের বাচ্চা দেখা গেলে তা মারতে সক্ষম হন অধিবাসীরা। খবর পেয়ে দারোয়ান জানান, পূর্বের ভাড়াটিয়াও একটি বড় সাপ দেখে বাসা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, মালিক ও ভবন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জেনেও তথ্য গোপন করে নতুন ভাড়াটিয়ার কাছে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেছে এবং জামানতের টাকা আটকে রেখে চরম জীবনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
যেহেতু একের পর এক সাপের বাচ্চা পাওয়া যাচ্ছে, তাই ধারণা করা হচ্ছে ভবনের অভ্যন্তরে মা সাপ ও সাপের স্থায়ী বাসা রয়েছে। এমতাবস্থায় ভবনের ভবিষ্যৎ ভাড়াটিয়াদের নিরাপত্তা বিধান এবং সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট আবাসন কর্তৃপক্ষের নিকট অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে কঠোর ও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।