প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক বিশেষ খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবিতা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও কাজ ফাঁকির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সুধী সমাজ ও এলাকাবাসী।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (EGPP)’-এর আওতায় ডুমুরিয়ার রুদাঘরা ও সাহস ইউনিয়নের দুটি প্রধান খাল খননে ২ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৭০১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের পানি নিষ্কাশন না করেই ভাসমান ভেকু দিয়ে কিছু কাদা তুলে পাড়ে ফেলা হয়েছে, যা কাজের নামে চরম অনিয়ম ছাড়া কিছুই নয়।
সম্প্রতি ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মিনাক্ষী বর্মণ সরেজমিনে প্রকল্প পরিদর্শন করে কাজের নিম্নমান দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নকশা অনুযায়ী পুনর্খননের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াসিন আরাফাত ও যুবদল নেতা খান জিয়াউর রহমানসহ ভুক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করেন, অনিয়ম ঢাকতেই এখন সামাজিক মাধ্যমে ‘উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার নাটক’ বানিয়ে সততার প্রচার চালানো হচ্ছে। সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ডুমুরিয়াবাসী।