আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য (মেম্বার) পদে প্রার্থীর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রুল নিয়ে আলোকপাত করেছেন মাগুরার বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও আইন সচেতন ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ।
তিনি বলেন, “হাইকোর্ট রুল জারি করলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত রায় হয়নি। ফলে বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। রুল জারি হওয়া মানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, তাই চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তিতে পৌঁছানো ঠিক হবে না।”
স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব তুলে ধরে কাজী সাইমুম আরও বলেন, “স্থানীয় সরকারে জনগণের অবাধ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই গণতন্ত্রের মূল চেতনা। তাই প্রার্থীর ওপর যেকোনো নতুন শর্ত আরোপের আগে তা সংবিধানের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।”
তিনি সংবিধানের উল্লেখ করে জানান, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদেই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল ভিত্তি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ যেন অযৌক্তিকভাবে সীমিত না হয়, সে বিষয়টি সংবিধানের আলোকেই নিশ্চিত করা উচিত।
উল্লেখ্য, ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের পরই প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত আইনি অবস্থান স্পষ্টভাবে জানা যাবে।