ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় বালুঘাটের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে এলাকা ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজার (কুলুরবাড়ি) এলাকার একটি বালু বিক্রয়কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী আনসার ও র্যাব সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বালুঘাটে প্রবেশ করে কাগজপত্র দেখতে চান। ঘাটের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান বাচ্চু অভিযানে আসা দলের পরিচয় জানতে চাইলে পরিস্থিতির একপর্যায়ে ইউএনও তাকে দুবার থাপ্পড় মারেন। পরবর্তীতে র্যাব সদস্যের হাত থেকে লাঠি নিয়ে ওই কর্মচারীকে আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় পাশে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।
ইজারাদার ও ভুক্তভোগীদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তাদের কর্মচারীর ওপর শারীরিকভাবে চড়াও হওয়া হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের প্রতিবাদ ও সঠিক তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান জানান, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন এবং ইউএনওর এমন আচরণ পেশাদারিত্বের মধ্যে পড়ে না। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।