প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শুধু জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সমস্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের প্রকৃত মুখোশ উম্মোচিত রাখবে।”
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ফলক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শুভ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের স্মারক ও ইতিহাস সমৃদ্ধ প্রতিটি গ্যালারি ঘুরে দেখেন। অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যে আজকের দিনটিকে জাতির জন্য এক যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফিরাত প্রকাশ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ইতিহাস চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ফ্যাসিবাদের শাসনকালে গুম, খুন এবং মানবাধিকার লুণ্ঠনকে এক প্রকার স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই এ দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে সানন্দে মেনে নিতে পারেনি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংগ্রাম, হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ আর বীরত্বপূর্ণ সাহসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার লক্ষ্যেই এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এটি আগামী দিনের তরুণসমাজকে ন্যায়বিচার ও স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামে উজ্জীবিত রাখবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন উপদেষ্টা, গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।