মাদারীপুরের পুরো জেলাজুড়ে গত ১০ দিন ধরে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে থমকে দাঁড়িয়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ৩১ জুলাই থেকে দিনে ৫ থেকে ৭ বার এবং রাতে ৩ থেকে ৪ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে প্রায় দেড় থেকে আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে এ অন্ধকার। তীব্র গরমের মধ্যে এ যেন এক চরম দুর্ভোগের নাম।
জেলার মাদারীপুর সদর, শিবচর, রাজৈর, কালকিনি ও ডাসারসহ সবকটি উপজেলাতেই প্রায় একই চিত্র। ঘন ঘন ও দীর্ঘমেয়াদি লোডশেডিংয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক এবং শিক্ষার্থীরা। রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুমাতে পারছেন না সাধারণ মানুষ, যা প্রভাব ফেলছে কর্মজীবীদের দৈনন্দিন কাজেও।
শিক্ষার্থীরা জানায়, রাতে প্রদীপ বা চ্যাগের আলোয় পড়ালেখা করা কঠিন, আর দিনের বেলায় স্কুলেও ফ্যান না চলায় তীব্র গরমে ক্লাস নেওয়া ও পড়ালেখা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
লোডশেডিংয়ের থাবা পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও। আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয় এবং ফ্রিজে রাখার মতো পচনশীল দ্রব্য নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘক্ষণ ফ্রিজ বন্ধ থাকায় মালামাল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের প্রকৃত কারণ এবং পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা জানতে পারলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।