নওগাঁর ধামইরহাটে মেরিনা বেগম (৪৫) নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার নৃশংস ঘটনায় রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই মামলার এজাহার দায়েরের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সাবেক ইউপি সদস্য মো. বাবুল হোসেন (৪৯) এবং মো. তারেক রহমান (২১)। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটককালে ভিকটিমের জুতার ব্যাগ ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বেল্ট উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ জানায়, মূলত বিয়ের বিষয় নিয়ে মেরিনা বেগমের সঙ্গে বাবুল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে আরও দুইজন জড়িত রয়েছে এবং জেলা পুলিশ অপরাধ দমনে শূন্য সহনশীলতার নীতিতে কাজ করছে।