খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রধান সংযোগ সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছিল প্রায় পৌনে ৪ বছর আগে। কিন্তু দফায় দফায় সময় বাড়ানোর পরও এখনো শেষ হয়নি নির্মাণকাজ। ফলে ভাঙাচোরা ও অসমতল সড়কে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এই রুটে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) দ্বিতীয় নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলবাড়িগেট থেকে তেলিগাতী গভঃ ল্যাবরেটরি হাইস্কুল পর্যন্ত ১ হাজার ১৮ মিটার সড়ক প্রশস্তকরণ, ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণের কাজ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়। প্রকল্পটি যৌথভাবে অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি। প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ের এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড।
কার্যাদেশ অনুযায়ী ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে উঁচু-নিচু ভাঙাচোরা অংশ ও ড্রেনের খোঁড়াখুঁড়ি।
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ফুলবাড়িগেট ও তেলিগাতী এলাকার সর্বস্তরের বাসিন্দা ও যানবাহন চলাচল করে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় প্রি-ক্যাডেট স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়িগুলো। একটু বৃষ্টি হলেই জমে থাকা কাদা ও পানিতে পারাপার অসম্ভব হয়ে পড়ে।
২৩ কোটি টাকার বাজেটে বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের ধীরগতি ও নিয়মিত তদারকির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। খুলনাবাসীর দাবি, অবিলম্বে উন্নয়ন কাজ শেষ করে দুর্ভোগ থেকে সাধারণ মানুষকে নিষ্কৃতি দেওয়া হোক।