তীব্র গরমে যখন স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই নীলফামারীর জলঢাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন সাধারণ মানুষ। উপজেলায় রাত হলেই নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে নিয়মিতভাবে অন্তত দুইবার দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, দেশে বিদ্যুতের যে ঘাটতি রয়েছে তা তাঁরা মানেন। তবে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের রাতের বেলা ঘনঘন বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। প্রতি রাতে ৯টা থেকে ১০টা বা ১১টা পর্যন্ত একবার এবং গভীর রাতে ১২টা থেকে ১টা বা ২টা পর্যন্ত আরেকবার বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হচ্ছে। রাতে তীব্র গরম আর মশার উপদ্রবে ঘুমোতে না পেরে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা।
গ্রাহকদের দাবি, ঘাটতি পোষাতে হলে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ যেন দিনের বেলা লোডশেডিং শিডিউল নির্ধারণ করে। গভীর রাতে বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত বন্ধের জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।
জলঢাকা সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যেন জনগণকে আর বিদ্যুৎ নিয়ে কষ্ট না দেয়। আমরা তো বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি না, তাহলে প্রতিদিন রাতে এত সময় ধরে লোডশেডিং দিয়ে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেবে কেন?” তিনি অবিলম্বে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান।