মাত্র ২৯ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে খালি সিলিন্ডার হাতে রাজপথে নেমেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতাকর্মীরা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের সামনে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ের নিচে ব্যতিক্রমী এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, আকরাম হোসাইন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তবে নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে ভোক্তাদের। গত মাসে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারিত মূল্যের ১২ কেজি সিলিন্ডার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এনসিপির অভিযোগ, সুবিধা পাচ্ছে সিন্ডিকেট
সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সরকার জনগণের রান্নাঘর পর্যন্ত ভোগান্তি পৌঁছে দিয়েছে।
এটা রাতের সরকার। শেখ হাসিনার সময় যেমন রাতের বেলায় দাম বাড়িয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতো, এখন তারেক রহমানও সেই পথ অনুসরণ করে রাতের বেলায় গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এটা তারেক রহমানের সরকার নয়, এটা সিন্ডিকেটের সরকার। কয়েকটি কোম্পানিকে সুবিধা দিতেই গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।’
দেশের জনগণকে সিলিন্ডার হাতে রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বিইআরসির সামনে খালি সিলিন্ডার, হাঁড়ি-পাতিল ও কলস নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এনসিপির অভিযোগ, গত ২৯ অক্টোবর বিইআরসির গণশুনানিতে টেকনিক্যাল কমিটি ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাব অনুসরণ না করে কমিশন ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
অর্থাৎ মাত্র ২৯ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ৪৭৫ টাকা।
এদিকে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা করা হয়েছে।
সরকারি কোম্পানির ১২ দশমিক ৫ কেজি সিলিন্ডারের দামও ৭৭৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিইআরসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্যবৃদ্ধি এবং আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন সমন্বয়ের কারণে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্তে আমদানিকারকদের চার্জ ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা, ডিলারদের কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করা হয়েছে।
তবে নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে ভোক্তাদের। গত মাসে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারিত মূল্যের ১২ কেজি সিলিন্ডার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এনসিপির অভিযোগ, সুবিধা পাচ্ছে সিন্ডিকেট
সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সরকার জনগণের রান্নাঘর পর্যন্ত ভোগান্তি পৌঁছে দিয়েছে।
এটা রাতের সরকার। শেখ হাসিনার সময় যেমন রাতের বেলায় দাম বাড়িয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতো, এখন তারেক রহমানও সেই পথ অনুসরণ করে রাতের বেলায় গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা তারেক রহমানের সরকার নয়, এটা সিন্ডিকেটের সরকার। কয়েকটি কোম্পানিকে সুবিধা দিতেই গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।’
দেশের জনগণকে সিলিন্ডার হাতে রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বিইআরসির সামনে খালি সিলিন্ডার, হাঁড়ি-পাতিল ও কলস নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এনসিপির অভিযোগ, গত ২৯ অক্টোবর বিইআরসির গণশুনানিতে টেকনিক্যাল কমিটি ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাব অনুসরণ না করে কমিশন ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে।