ছবি -সংগ্রহীত
বেপজার তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৬টি চীনা প্রতিষ্ঠান। যৌথ মালিকানার প্রতিষ্ঠানও এ তালিকায় রয়েছে।
চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৮৫ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার।বিনিয়োগ প্রস্তাবের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সম্পূর্ণ বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।
দেশীয় মালিকানাধীন ১৫টি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ২০ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের চারটি করে প্রতিষ্ঠান ইপিজেডে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।
বেপজার এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, দেশের ইপিজেডগুলোতে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে চীনা বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য আগ্রহ রয়েছে।
এসব বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তবে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ আর বাস্তবে বিনিয়োগ হওয়া অর্থ এক নয়। প্রকৃত বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র জানতে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: বেপজার তথ্য।