গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলার ভাইয়াসূতী এলাকায় প্রবোধ চন্দ্র দাস নামের এক যুবকের বেপরোয়া মাদক ব্যবসায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন থেকে শুরু করে ফেনসিডিল—সব ধরনের মারাত্মক মাদক সে নির্বিঘ্নে সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে মাদকের এক বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে এই চক্র।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, মাদক কেনাবেচার সময় প্রবোধ চন্দ্র দাস স্থানীয় যুবসমাজ ও জনতার কাছে অন্তত চার থেকে পাঁচবার হাতেনাতে আটক হয়। তবে অদৃশ্য কোনো শক্তির বলে প্রতিবারই সে পার পেয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বারবার ধরা পড়ার পরও তার বিরুদ্ধে স্থায়ী আইনি ব্যবস্থা না হওয়ায় দিন দিন সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ক্ষুব্ধ বাসিন্দা জানান, “এমন কোনো মারাত্মক মাদক নেই যা সে এই এলাকায় বিক্রি করে না। আমাদের উঠতি বয়সী তরুণেরা ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। আমরা তাকে একাধিকবার হাতেনাতে ধরেছি, কিন্তু অলৌকিক কারণে সে প্রতিবারই ছাড়া পেয়ে যায় এবং পরে আরও বেশি দুর্ধর্ষ রূপ নেয়।”
একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি কীভাবে বারবার ধরা পড়ার পরও বহাল তবিয়তে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে ভাইয়াসূতী এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নেপথ্যে স্থানীয় কোনো প্রভাবশালী মহলের মদদ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার জোর দাবি উঠেছে।
গ্রামের কিশোর ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং ভাইয়াসূতী গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে প্রবোধ চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী গ্রামবাসী।