পরিবর্তনের প্রত্যয়, তরুণ নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষের সেবার অঙ্গীকার নিয়ে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ৩নং কাজিহাল ইউনিয়নের সর্বস্তরের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করছেন তরুণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইকবাল হাসান সাজন।
সাবেক এই ছাত্রনেতা কাজিহাল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং ওই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সভাপতি মরহুম সিরাজ মোঃ আবুল হোসেনের সুযোগ্য পুত্র।
আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন ও লক্ষ্য:
শিক্ষিত, মানবিক ও তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে কাজিহাল ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে দিন-রাত মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন ইকবাল হাসান সাজন। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে তরুণদের কর্মসংস্থান, মানসম্মত শিক্ষা, খেলাধুলা, মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন।
সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনপ্রিয়তা:
স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত থাকার কারণে এলাকার তরুণ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইকবাল হাসান সাজনের একটি নিবিড় ও আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। করোনাকালীন সময় থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণসহ নানা কল্যাণমুখী উদ্যোগে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় এলাকায় তাঁর ব্যাপক সুপরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
কাজিহাল ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন তরুণ ভোটার জানান, বর্তমান সময়ে ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নতুন চিন্তা ও তরুণ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজের সমস্যা, উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো নিয়ে যিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন, তাঁর প্রতিই তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ ও সমর্থন সবচেয়ে বেশি।
চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজনের বক্তব্য:
গণসংযোগকালে ইকবাল হাসান সাজন বলেন, “আমি পদের মোহে নয়, মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জনসেবক হিসেবে কাজিহাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হতে চাই। জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হলো জনগণের নিঃস্বার্থ সেবা করা। আমি কাজিহাল ইউনিয়নের জরাজীর্ণ রাস্তা-ঘাটের টেকসই উন্নয়ন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের রাজনীতিতে আমি সবসময় রাজপথে সক্রিয় রয়েছি। আমি একটি পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই, যেখানে যুবসমাজ দক্ষ হবে, কৃষকেরা ন্যায্য অধিকার পাবেন এবং ঘরে ঘরে নাগরিক সেবা পৌঁছে যাবে।”
এলাকার সচেতন মহলের প্রত্যাশা, আগামী দিনের স্থানীয় নির্বাচনে এমন নেতৃত্বই সামনে আসুক, যারা বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে এবং এলাকার টেকসই উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।