ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী মারুফ মাতুব্বরের (৩৮) গোপনাঙ্গ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী শিখা বেগমকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) গভীর রাতে ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম বাকপুরা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
আহত স্বামী মারুফ মাতুব্বর ওই এলাকার মৃত মোখছেদ মাতুব্বরের ছেলে। অভিযুক্ত স্ত্রী শিখা বেগম পাশের সদরপুর উপজেলার শামসুর গ্রামের মৃত মানিক খানের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মারুফ মাতুব্বর নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। চাকরির সুবাদে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়ি আসতেন এবং শনিবার সকালে কর্মস্থলে ফিরে যেতেন। গতকাল রাতে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে তাঁর স্ত্রী শিখা বেগম ধারালো অস্ত্র দিয়ে হঠাৎ তাঁর গোপনাঙ্গে আঘাত করেন। মারুফের আর্তচিৎকারে তাঁর বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর ছুটে আসেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, মারুফ ও শিখা দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এ নিয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশও হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক শত্রুতা ও বিরোধের জেরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্ত্রী শিখা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলা ও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।