সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নিজের বিরুদ্ধে আনীত “চাঁদা দাবি ও চিংড়িঘের দখল” সংক্রান্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম (আঙ্গুর)।
গত ২৯ জুলাই (বুধবার) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এসব কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে আনারুল ইসলাম আঙ্গুর বলেন, নিজেকে বিএনপি কর্মী দাবি করা রফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই মূলত একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্ত করে এই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তিনি দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেন, কোনো জমি বা চিংড়িঘের দখল কিংবা কারও কাছ থেকে কোনো প্রকার চাঁদা দাবির ঘটনায় তার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। রফিকুল ইসলামের গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি পরিষ্কার জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে থানা পুলিশ ও আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। এর সাথে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, স্থানীয় কিছু সুবিধাভোগী ও দখলদার চক্র নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে এবং যুবদলের ওপর দায় চাপাতে রফিকুল ইসলামকে ব্যবহার করছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয়তাবাদী যুবদল কখনোই চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা সাধারণ মানুষের ওপর কোনো অন্যায়কে সমর্থন করে না।”
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি রফিকুল ইসলামকে অবিলম্বে সকল মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সাথে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান, অন্যথায় অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।