সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু দল ‘দুলাভাই বাহিনী’র নতুন রূপ ‘আফজাল বাহিনী’সহ সক্রিয় ৪টি দস্যু দলের প্রধান ও ৫২ জন সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। ৩১ আগস্ট র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদের কাছে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন সদস্য রয়েছেন।
অনুসন্ধানী সূত্রে জানা যায়, পূর্বে রবিউল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ‘দুলাভাই বাহিনী’র দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি ছিলেন আফজাল হোসেন। গত জুনে কয়রা সংলগ্ন সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে রবিউল ইসলাম আটক হলে এবং এক সদস্য নিহত হলে বাহিনীর হাল ধরেন আফজাল।
দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, মৌয়াল ও বাওয়ালিরা দস্যু বাহিনীর মুক্তিপণ ও চাঁদাবাজিতে তটস্থ ছিলেন। ৩ মাসের মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন পুনরায় বনজীবী ও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্তে এই বিশাল আত্মসমর্পণ স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটনে নতুন আশা জাগাচ্ছে।