সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে রবি বোলার হান্টের বাছাইপর্বে প্রায় দুই হাজার বোলারের ভিড়ে নজর কেড়েছে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চপর্যায়ের কোচিং ছাড়াই স্পিড গানে তার বোলিংয়ের গতি উঠেছে ঘণ্টায় ১৩২ কিলোমিটার।
আয়োজকদের বাছাই প্রক্রিয়ায় জুবায়েরের বোলিং অ্যাকশন ও শারীরিক সমন্বয়ও বিশেষভাবে নজরে আসে। বিশ্লেষণে তার ‘Wrong Foot Jump’, নন-বোলিং আর্মের অবস্থান এবং বোলিংয়ের পর ফলো-থ্রুর বিষয়গুলো উঠে আসে।
বিচারকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, জুবায়েরের নন-বোলিং আর্ম বেশ উঁচু থেকে আসে এবং বোলিংয়ের পর তার ফলো-থ্রু স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ। পাশাপাশি রান-আপের সময় দুই হাতের সমন্বয়ও তার বোলিংয়ের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সাধারণভাবে ‘Wrong Foot Jump’ অনেক সময় ভুল অ্যাকশন হিসেবে বিবেচিত হলেও, বোলার হান্টের বাছাই প্রক্রিয়ায় জুবায়েরের স্বাভাবিক বোলিং অ্যাকশনকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সিলেট বিভাগ থেকে পরবর্তী রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত ১৭ জন বোলারের মধ্যে জুবায়েরও রয়েছে। আয়োজকদের বাছাই কার্যক্রমে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মুশতাক আহমেদসহ দেশের ক্রিকেটের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নিজের বোলিং প্রতিভার জানান দিয়েছে এই তরুণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স ও শারীরিক বিকাশের সঙ্গে সঠিক প্রশিক্ষণ, ফিটনেস, জিম ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা পেলে জুবায়েরের বোলিংয়ের গতি ও দক্ষতা আরও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে তার গতি কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করবে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, শারীরিক বিকাশ ও বোলিং টেকনিকের উন্নতির ওপর।
টেপ টেনিসের মাঠ নয়, ক্রিকেট বল হাতে সিলেটের মাটি থেকেই জুবায়েরের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে পথচলার নতুন অধ্যায় শুরু হলো।