ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রকে শারীরিকভাবে অমানবিক ও নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ও আদব-কায়দা শেখাতে শিক্ষকের শাসন প্রচলিত ও স্বাভাবিক বিষয়। পড়ালেখার প্রতি মনোযোগী করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিক্ষকের শাসনকে অভিভাবকরাও অনেক সময় সমর্থন করেন। তবে সেই শাসন যখন মাত্রা ছাড়িয়ে শারীরিক নির্যাতনের রূপ নেয়, তখন তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের সংশোধন ও সঠিক পথে পরিচালিত করা। কিন্তু অমানবিকভাবে শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই শিক্ষার অংশ হতে পারে না। এ ধরনের আচরণ শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিভাবকদের মতে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সংশোধনের ক্ষেত্রে শারীরিক শাস্তির পরিবর্তে মানবিক, সহানুভূতিশীল ও মনস্তাত্ত্বিক পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষকের এমন আচরণের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার।