খুলনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা সাজানো, রং-তুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে অপরূপ রূপে ফুটিয়ে তোলা, আলোকসজ্জা ও প্যান্ডেল সাজানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজক ও শিল্পীরা।
শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, কাশফুলের দোলা আর প্রকৃতির স্নিগ্ধতা জানান দিচ্ছে শারদীয় উৎসবের আগমনী বার্তা। প্রকৃতির এই আবহের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খুলনার পূজামণ্ডপগুলোতেও বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
কাঠ, বাঁশ, বিচালি ও কাদামাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ আগেই শেষ হয়েছে। এখন চলছে প্রতিমায় রং করার পাশাপাশি সাজসজ্জার কাজ। শিল্পীদের নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমা। একই সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে আলোকসজ্জা, প্যান্ডেল নির্মাণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু জানান, খুলনা মহানগরের আটটি থানায় মোট ১২৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে খানজাহান আলী থানা এলাকায় ছয়টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পূজার সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিমায় রং করা, মণ্ডপের সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে খুলনায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি শেষে এখন ভক্তদের অপেক্ষা পূজার আনুষ্ঠানিকতা ও দেবী দুর্গার আরাধনার।