সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও বড়ধুল ইউনিয়নে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বেলকুচি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ শিকদার। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নদী তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের সাথে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে ছাত্রনেতা ফিরোজ আহমেদ শিকদার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “বেলকুচির যমুনা নদী ভাঙনকবলিত এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ দীর্ঘদিন যাবত চরম অবহেলার শিকার। চলতি বছরেও ভাঙনের ভয়াবহতায় ইতোমধ্যে কয়েক শত বসতবাড়ি, ফসলি আবাদি জমি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বহু সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অথচ বিগত সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বেলকুচি ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো টেকসই কাজ করেনি।”
এমপির প্রতি স্থায়ী বাঁধের আহ্বান: তিনি সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এই অবহেলিত ও বিপর্যস্ত নদী ভাঙনকবলিত ইউনিয়নগুলোকে নতুন করে পুনর্গঠন করতে হবে। বেলকুচিবাসীর প্রাণের দীর্ঘদিনের একটাই দাবি—অতি দ্রুত যমুনা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হোক। টেকসই বাঁধের মাধ্যমে ভাঙনকবলিত অসহায় মানুষের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু রক্ষা করার জন্য তিনি সংসদ সদস্যের প্রতি জোর দাবি জানান।”
ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনা ফকিরসহ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।