নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিম কিশোরী বর্তমানে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাতে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে ২ নম্বর আসামি আবু মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সাউদপাড়া এলাকায় কিশোরীকে জিম্মি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় এবং গোপনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন নির্যাতনের পর ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তা গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টা চালানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় সাউদপাড়া এলাকার প্রধান আসামি মোঃ বকুল মিয়া (৫৫)-সহ মোট ৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সজল দাস জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে সাউদপাড়ার নিজ বাসা থেকে ২ নম্বর আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ভিকটিমের প্রয়োজনীয় ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং সে অভিভাবকের হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামিসহ অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।