পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় নিজ ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে গীতা রানী (৪৫) নামের এক স্কুলশিক্ষিকাকে নির্মমভাবে হত্যা করে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখার চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংক থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত গীতা রানী ওই গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী এবং চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গীতা রানী বাড়িতে একাই বসবাস করতেন এবং তাঁর স্বামী চাকরির সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করেন। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেটে তাঁর ঘরের ভেতর প্রবেশ করে। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে গেলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে গীতা রানীর ধস্তাধস্তি হয়। পরবর্তীতে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে তাঁর নিথর দেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে আটঘরিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। কারা, কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হতে পুলিশ গভীর তদন্ত শুরু করেছে।