ভুলে গেলে চলবে না—ছত্রিশে জুলাই,
রক্তে লেখা ইতিহাস, ভুলবার নয় ভাই!
বাংলার নর-নারী প্রায় তেরো শতাংশই গড়ে
মজলুম শ্রমিক ঘাম ঝরায় কর্মক্ষেত্র জুড়ে।
তাদের পথচেয়ে আজও বাড়ে দীর্ঘশ্বাস,
ন্যায্য অধিকার পেতে কেন এত ইতিহাস?
লাঠিয়াল, সশস্ত্র আইনরক্ষাকারী,
একজনকে তুললেন, আরেকজনকে বসালেন ভারী!
বিবেক-বুদ্ধি বিক্রি করে রাষ্ট্র ও সরকারের কাছে,
ক্ষমতার দম্ভে মানুষকে পেটানোর হুকুম আসে!
কোথায় মানবতা, কোথায় ন্যায়বিচার?
শ্রমিকের বুকে কেন এত আঘাতের ভার?
শহরের ঘরে ঘরেই আছে পোশাকশ্রমিক,
দল-মত নির্বিশেষে ওরা জীবিকার সৈনিক।
সবাই যদি পথে নামে, পথ পাবেন কোথায়?
এমন পরিস্থিতি হলে সামলাবেন কি উপায়?
ক্ষুধার্ত মানুষের কান্না থামাবেন কীভাবে?
**জাতি জানতে চায়—উত্তর দেবেন কবে?**
ভেবেছেন কি, শ্রমিকেরও পরিবার আছে?
সন্তানের মুখে অন্ন জোটে ঘামেরই দামে।
কোন দেশের চলমান পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রনে
সরকার ব্যার্থ হলেই হবে, দেশ ত্যাগ করতে।
আমি ছত্রিশের রূপ দেখেছি,আজ দেখি
দেশ ছত্রিশে জুলাইয়ের সেই পথে।
তোমরা ভুলে গেলেও আমি ভুলি নাই জুলাই।
ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি ভুলিবার মতো নয় ভাই!
এমন এমন খেলা খেলেছেন,
নির্বাচনের পর নির্বাচন,
নেতা নিধন, নেতা নিধন—
জনগণের টাকায় ক্ষমতার আসন!
দেশ ও জনগণের টাকায় নির্বাচন,
নির্বাচনের পরে সরকার পতন!
ক্ষমতার খেলা আর কতকাল?
জনগণ কি শুধু ভোটের ঢাল?
সরকার বোঝেনি—এক নিমিষেই,
উড়ন্ত পাখি হতে হয় এমন হলেই।
দুপুরবেলা খাবার প্রস্তুত ছিলো, খাবার খেতে কেহ কি বলেছিলো?
৪৫মিনিট সময় পেলো,
কাছুমাছু করে উড়ে গেলো।
অস্থিতিশীল পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে
কী এমন ক্ষতি হয়?
শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার দিলে,
দেশেরই উন্নতি হয়।
শ্রমিকের ঘাম, শ্রমিকের সম্মান,