বয়স যে শিক্ষা অর্জনের পথে কোনো বাধা নয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৫২ বছর বয়সী শেফালী বেগম। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৪.২১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, শৈশবে বাবাকে হারানো, আর্থিক সংকট এবং অল্প বয়সে বিয়ের কারণে একসময় থেমে যায় শেফালীর শিক্ষাজীবন। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২০ সালে স্বামী ও সন্তানদের অনুপ্রেরণায় আবারও পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২৯ অর্জন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায়ও কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শুধু এইচএসসি পাস করেই থেমে থাকতে চান না শেফালী বেগম। তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য অনার্সে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করা।
৫২ বছর বয়সে তাঁর এই সাফল্য স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শেফালী বেগমের অর্জন প্রমাণ করে, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় ও পরিবারের সহযোগিতা থাকলে জীবনের যেকোনো বয়সেই শিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
তাঁর এই সাফল্য সমাজের অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
শেফালী বেগমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে রইল আন্তরিক শুভকামনা।