আটলান্টা স্টেডিয়ামে যেন এক অঘোষিত মহাকাব্য লিখছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ম্যাচের শুরু থেকে স্পেনের তারকাসমৃদ্ধ ও শক্তিশালী আক্রমণভাগকে পুরো প্রথমার্ধজুড়ে গোলবঞ্চিত রেখে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের গল্প তৈরি করেছেন তিনি।
ম্যাচের আগে ফুটবল বোদ্ধাদের অনেকেই যেখানে স্পেনের বড় ব্যবধানের জয়ের সহজ সমীকরণ মিলিয়ে রেখেছিলেন, সেখানে কেপ ভার্দের জমাটবদ্ধ রক্ষণ আর ভোজিনিয়ার অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে প্রথমার্ধ শেষের স্কোরলাইন সম্পূর্ণ গোলশূন্য (০-০)।
হিমশিম খেলেন ফুয়েন্তের শিষ্যরা: ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে নিজেদের চিরচেনা আধিপত্য বিস্তার করেছিল স্পেন। মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করলেও প্রথমার্ধের দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ভীতি ছড়াতে হিমশিম খেতে হয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যদের।
ক্রসবার ও ভোজিনিয়া প্রাচীর: তবে প্রথমার্ধের বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে নিজেদের আসল রূপ প্রকাশ করে স্প্যানিশরা। ম্যাচের অন্যতম সেরা সুযোগটি হাতছাড়া করেন ফেররান তোরেস, যার শটটি ক্রসবারে বাধা পেয়ে ফিরে আসে। এরপর ফিরতি বলে মিকেল ওইয়ারসাবালের জোরালো হেড লক্ষ্যভেদে বাধা হয়ে দাঁড়ান ভোজিনিয়া।
ক্ষিপ্রতায় অবিশ্বাস্য সেভ: প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তের ঘটনাবহুল সেই কয়েক মিনিটে তোরেস ও লাপোর্তের অন্তত দুটি নিশ্চিত গোলমুখী আক্রমণ দারুণ ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। স্পেনের একের পর এক আক্রমণকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আটলান্টার গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের অবাক করে দিয়েই বিরতিতে যায় কেপ ভার্দে। খেলার শেষ মুহূর্তে এসেও স্পেনের বিপক্ষে সমানতালে চলছে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক লড়াই।