বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের শক্তির জানান দিয়ে নবাগত কুরাসাওকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছে জার্মানি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ৭–১ ব্যবধানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই দাপুটে জয়ে শুধু পূর্ণ তিন পয়েন্টই নয়, বরং টুর্নামেন্টের অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রতিপক্ষদের শক্ত বার্তাও দিয়ে রাখল জার্মানরা।
ব্রাউন ও উনদাভের গোল উৎসব: ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই আধিপত্য বিস্তার করা জার্মানি দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণে উঠে এসে দলের পঞ্চম গোলটি করেন লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। এর ঠিক ১০ মিনিট পর (৭৮তম মিনিটে) স্ট্রাইকার ডেনিজ উনদাভ জাল খুঁজে নিলে জার্মানির স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৬–১-এ।
হাভার্টজের জোড়া গোল ও ২০১৪-র স্মৃতি: বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও আক্রমণ থামায়নি জার্মানি। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ ভেঙে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের সপ্তম গোলটি করেন তারকা ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ। এই গোলের সাথে সাথেই স্টেডিয়াম জুড়ে ফিরে আসে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ঐতিহাসিক ‘মিনেইরাজো’র স্মৃতি, যেখানে সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ঠিক ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জার্মানি।
শিরোপার শক্ত বার্তা: প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসা কুরাসাও জার্মানির আক্রমণভাগের সামনে স্রেফ খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। পুরো ম্যাচে বল দখল এবং আক্রমণ—সব বিভাগেই ছড়ি ঘুরিয়েছে ডাই মানশাফটরা। এই দাপুটে পারফরম্যান্সের পর ফুটবল বিশ্লেষকরা জার্মানিকে এবারের আসরের শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে গণ্য করছেন।