কালান্তর নিউজ ডেস্ক
১৯ জুন ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্প মরিয়া হয়ে চুক্তি করেছেন, অতিরিক্ত দাবি মানা হবে না: মোজতবা খামেনি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের পেছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মরিয়া’ মনোভাব ও কৌশল কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনি। তবে একই সাথে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনের কোনো অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক দাবি তেহরান মেনে নেবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিশেষ বার্তায় তিনি চুক্তির বিষয়ে তাঁর এই অবস্থান ব্যক্ত করেন।

প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধেয় ইরানি জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় খামেনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই চুক্তির পর্যায়ে পৌঁছাতে ইরানি কর্মকর্তারা অত্যন্ত সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি করতে মরিয়া হয়ে বিভিন্ন ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করেছেন।

চুক্তির মূল শর্তাবলি: এই সমঝোতা স্মারকে সব ক্ষেত্রে শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার শর্তও এতে যুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ইরানের জন্য ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি পুনর্গঠন পরিকল্পনা ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শুরুতে ভিন্নমত ছিল খামেনির: মোজতবা আলী খামেনি জানান, শুরুতে এই চুক্তির ব্যাপারে তাঁর নিজের ভিন্নমত ছিল। তবে দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বিশেষ প্রতিশ্রুতির ওপর ভিত্তি করেই তিনি শেষ পর্যন্ত এই চুক্তির অনুমতি দিয়েছেন। পেজেশকিয়ান তাঁকে কথা দিয়েছেন যে, তাঁরা যেকোনো পরিস্থিতিতে ইরানি জাতি ও প্রতিরোধের (রেজিস্ট্যান্স) অধিকার রক্ষা করবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অতিরিক্ত দাবি মেনে নেবেন না।

ভবিষ্যৎ আলোচনার বিষয়ে বার্তা:

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘এই মুহূর্ত থেকে আমরা সবাই মিলে এসব শর্ত পূরণের জন্য অপেক্ষা করব। ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যে আলোচনা হবে, তার অর্থ এই নয় যে আমরা শত্রুর সব কথা মেনে নেব।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইমাম মাহদীর আশীর্বাদ ও প্রার্থনা ইরানি জাতির জন্য নতুন বিজয় বয়ে আনবে।

মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: খুলনায় জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক ফাহিম মিয়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত

১

Nouveau casino en ligne : les limites et les règles de jeu responsable

২

Spotify Review 2026

৩

গঙ্গাচড়ায় ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ, কঠোর হুঁশিয়ারি

৪

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে শিবপুরে বিএনপির বিক্ষোভ

৫

রাজশাহীতে চোরাই ল্যাপটপ ও ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

৬

শতবর্ষী বিদ্যালয়ের মাঠে ড্রেন নির্মাণ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

৭

ছাত্রদল কর্মীর জীবনের দাম কি ২০ লাখ টাকা? জুলাই যোদ্ধা শাকিল হত্যা ও এমপি পুত্র গ্রেপ্তার নিয়ে যা জানা গেল

৮

মাদ্রাসা শিক্ষককে পেটানোই সমাধান নয়, অপরাধীর পরিচয় ধর্ম নয়, অপরাধীই: সাম্প্রদায়িক ট্যাগের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ

৯

রাজশাহীকে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে, পুনর্বাসিত হবেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

১০

নোবিপ্রবিতে নবীনবরণ ৭ নভেম্বর, থাকছেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা

১১

তাড়াইলে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, ২ হাজার ৬০০ টাকাতেও মিলছে না সিলিন্ডার

১২

বাঘারপাড়ার জহুরপুরে ২০০ বছরের প্রাচীন বটগাছ, প্রকৃতির অনন্য তোরণ

১৩

খুলনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত: আলোচনা সভা ও মানববন্ধন

১৪

ডিপিসি সম্পন্ন, তবু পদোন্নতির জিও নেই: অপেক্ষায় ৩৭তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডার

১৫

নবীনগরে গাছের চারা লাগানো নিয়ে বিরোধ, বাক্‌প্রতিবন্ধী নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

১৬

সুন্দরবনে জাহাজের ধাক্কায় ডুবল কয়লাবাহী কার্গো, তলিয়ে গেল ১,২৫০ টন কয়লা

১৭

মিরসরাইয়ের নতুন ইউএনও মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, জনসেবায় বাড়ছে প্রত্যাশা

১৮

নির্বাচন কমিশনকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় জোটের

১৯

টঙ্গীর শিশু নিপীড়ন বিতর্কে নতুন মোড়, দেশ ছাড়ার দাবি শিশুটির বাবার

২০