ইউরোপের দুই শক্তিশালী ফুটবল পরাশক্তি স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেলজিয়াম। তরুণ ফরোয়ার্ড চার্লস ডি কেটেলারার চমৎকার গোলে ম্যাচে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফিরিয়ে স্প্যানিশদের চোখ রাঙানি দিচ্ছে বেলজিয়াম।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে স্পেন। প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত প্রায় ৬৪ শতাংশ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগে অনবরত চাপ সৃষ্টি করে তারা। যার ফলশ্রুতিতে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্প্যানিশরা। মিডফিল্ডার দানি ওলমোর নেওয়া প্রথম জোরালো শটটি বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলেও বিপদ মুক্ত করতে পারেননি। রিবাউন্ডে আসা বলে নিখুঁত শটে জাল জড়িয়ে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ।
তবে স্পেনের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি বেলজিয়াম। গোল খেয়েই পাল্টা আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়ানরা। এর কিছুক্ষণ পরেই দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে স্পেনের রক্ষণভাগ ভেঙে বল জালে জড়ান চার্লস ডি কেটেলারা। তাঁর এই দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ম্যাচে ১-১ গোলের সমতা ফেরে।
সমতায় ফেরার পরও স্প্যানিশদের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিতে হয়েছে বেলজিয়ামকে। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায় স্পেন। তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের নেওয়া বুলেট গতির শক্তিশালী শটটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রতিহত করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা থিবো কোর্তোয়া।
উল্লেখ্য, ম্যাচ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে বেলজিয়াম শিবিরে বড় ধাক্কা লাগে। হুট করেই ফিটনেস সমস্যায় পড়েন তারকা মিডফিল্ডার ইউরি টিলেমান্স। ফলে শেষ মুহূর্তে বাধ্য হয়েই তাকে মাঠের বাইরে রেখে হান্স ফানাকানকে শুরুর একাদশে জায়গা দেন বেলজিয়াম কোচ। বর্তমানে ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে দুই দলই জয়সূচক গোলের খোঁজে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে মাঠ কাঁপিয়ে তুলছে।