ক্লিনিক খুলে বসে আছে, হাসপাতাল খুলে বসে আছে, কিন্তু পার্কিংয়ের জায়গা নেই। পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় রোগীর গাড়ি তো আসবেই, পার্কিং করতেই হবে। তারা পার্কিং করছে কোথায়? রাস্তার পাশে। আর সিটি কর্পোরেশন থেকে চলছে অভিযান। ধরা খাচ্ছে কে? রোগীর স্বজনরা।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে নো-পার্কিং জোনে অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কেসিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময় রাস্তার উপর গাড়ি রেখে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ও যানজট সৃষ্টি করায় কেসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অবৈধভাবে রাখা গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং নগদ জরিমানা আদায়ের নির্দেশ প্রদান করেন।
হাসপাতালের সামনের সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে এবং রোগী ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে কেসিসি’র এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।তবে এ অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও রোগীর স্বজনরা।
তাদের অভিযোগ, খুলনা নগরীর বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে উঠেছে কোনো প্রকার পার্কিং ব্যবস্থা ছাড়াই। বিল্ডিং কোড না মেনে হাসপাতালের অনুমোদন দেওয়া হলেও, পার্কিংয়ের দায় চাপানো হচ্ছে রোগীর স্বজনদের ওপর।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমার রোগী আইসিইউতে, গাড়ি নিয়ে এসেছি। হাসপাতালের ভেতরে পার্কিং নেই। রাস্তায় না রাখলে রাখব কোথায়? এখন আবার জরিমানা দিতে হচ্ছে।”
সচেতন মহলের দাবি, শুধু রেকার দিয়ে গাড়ি সরানো বা জরিমানা করা সমাধান নয়। হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোকে বাধ্যতামূলক পার্কিং ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিতে হবে। অন্যথায়, বিকল্প পার্কিং জোন নির্ধারণ না করে এ ধরনের অভিযান জনগণের ভোগান্তিই বাড়াবে।
কালান্তর নিউজ / খুলনা