খুলনার ৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধারকৃত ১০৭টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার বিপুল পরিমাণ টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে।
আজ সোমবার (২৯ জুন) ২০২৬ তারিখে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৩ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) জনাব এম, এম সালাহউদ্দীন উদ্ধারকৃত এসব মুঠোফোন ও টাকা ভুক্তভোগীদের হাতে তুলে দেন।
অভিযান ও নজরকাড়া সাফল্য:
৩ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, অধিনায়ক মহোদয়ের সুনিপুণ দিক-নির্দেশনায় এবং সহ-অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) জনাব জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম) ও সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মো: আলী নওয়াজ-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জুন মাসজুড়ে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
সাইবার ক্রাইম ইউনিট দেশের বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সর্বমোট ১০৭টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। একই সাথে বিকাশ প্রতারণার শিকার হওয়া গ্রাহকদের ৮৬ হাজার ৪৮০ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এই ইউনিট। এছাড়া নিখোঁজ ও অপহরণ সংক্রান্ত জিডির মূলে ১ জন ভিকটিমকে উদ্ধারেও বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হয়।
সাইবার ইউনিটের কর্মপরিধি ও অধিনায়কের বক্তব্য:
৩ এপিবিএন-এর অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্ম এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হারানো মোবাইল উদ্ধার এবং ফেসবুকসহ অনলাইনের বিভিন্ন প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
হারানো মোবাইল এবং বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরের সময় ৩ এপিবিএন অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম, এম সালাহউদ্দীন বলেন, “সাইবার অপরাধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে আমাদের টিম দিন-রাত কাজ করছে। পুলিশি সেবায় জনসাধারণের এই ইতিবাচক সাড়া ও সহযোগিতা বজায় থাকলে আমরা আরও বেশি সংখ্যক ভুক্তভোগীকে আইনি সেবা ও স্বস্তি প্রদান করতে পারবো।” নিজের খোয়া যাওয়া প্রযুক্তিপণ্য ও টাকা ফেরত পেয়ে এপিবিএন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।