বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নম্বর সাউথখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রায়েন্দা গ্রামে মামার দেওয়া আশ্রয়ে বসবাস করে পরবর্তীতে সেই মামারই বসতভিটার জায়গা দখলের চেষ্টা এবং অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক ভাগিনার বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে বোনের ছেলেকে মানবিক বিবেচনায় নিজের বাড়িতে বসবাসের সুযোগ করে দেন সৌদি প্রবাসী এক ব্যক্তি। ভাগিনা তার মায়ের প্রাপ্য জায়গায় বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা রোপণসহ বসবাসের পরিধি বাড়তে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে ভাগিনা তার মায়ের প্রাপ্য জায়গার সীমানা অতিক্রম করে মামার জায়গার দিকেও বসতভিটার সীমানা সম্প্রসারণের চেষ্টা করেন। এতে জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী মামার দাবি, যাকে একসময় নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়ে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, সেই ভাগিনারাই এখন তার বসতভিটা দখলের চেষ্টা করছেন। শুধু তাই নয়, তার জায়গায় থাকা বেশ কয়েকটি গাছও অনুমতি ছাড়া কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সৌদি প্রবাসী ওই ব্যক্তি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তার অনুমতি ছাড়াই তার জায়গার গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে ভাগিনাকে বসবাসের সুযোগ দিয়ে এখন নিজেই সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জমির সীমানা নির্ধারণ এবং নিজের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া এ বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান চান স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা যাচাই করে আইনানুগভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভাগিনাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, জমির সীমানা নির্ধারণ এবং গাছ কাটার ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।