খুলনা সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মঞ্জু ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি — দেখেন আপনারা কি করছেন!
এই প্রশ্ন এখন খুলনার সাধারণ পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মুখে মুখে।
আজ খুলনা ডাকবাংলা মোড় ও পিকচার প্যালেস রোডে সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসন আসার সাথে ফুটপাত খালি। দোকানপাটের সামনের অবৈধ বর্ধিত অংশ ভেঙে দেওয়া হলো।
কিন্তু নাটক শুরু এর পরেই
দেখা যাচ্ছে — প্রশাসন চলে যাওয়ার মাত্র ১ থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই আবার একই জায়গায়, একই কায়দায় ফুটপাত দখল করে বসে গেছে হকাররা। দোকানদাররা আবার কাপড়, জুতা, ব্যাগ রাস্তার উপর সাজিয়ে রাস্তা আটকে ফেলেছে। ডাকবাংলা মোড় থেকে পিকচার প্যালেস পর্যন্ত পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই। রিকশা, ভ্যান, মানুষ সব একসাথে জটলা।
আগাম তথ্য ফাঁস করে কে?
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন আসার আগেই হকারদের কাছে খবর চলে যায়। তারা মালামাল সরিয়ে ফেলে। প্রশাসন চলে গেলেই আবার বসে। এই তথ্য পাচার বন্ধ না হলে কোনো অভিযানই সফল হবে না।
কেন স্থায়ী সমাধান নেই?
গতকালও ডাকবাংলার ওই সাইডে একই অভিযান হয়েছে। হকাররা সরে গিয়েছিল। আজ আবার সেই চিত্র। প্রতিদিন উচ্ছেদ, প্রতিদিন দখল — এই লুকোচুরি খেলা আর কতদিন?
প্রশাসনের সাথে কি তামাশা করা হচ্ছে?
পথচারী রা ক্ষোভের সাথে বলছেন “আপনারা আমাদের সাথে তামাশা করেন। সত্যিই তো, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় অভিযান চালিয়ে যদি ৯০ মিনিটও রাস্তা দখলমুক্ত না থাকে, তাহলে এই অভিযানের মানে কী?
আমরা দেখেছি, ফুটপাত দখলের কারণে স্কুলের বাচ্চা, নারী, বৃদ্ধরা রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কালান্তর নিউজের পক্ষ থেকে দাবি:
১. ডাকবাংলা-পিকচার প্যালেস রোডে স্থায়ী পুলিশ বক্স বা সিটি কর্পোরেশনের মনিটরিং টিম* বসাতে হবে, শুধু ভ্রাম্যমাণ অভিযান নয়।
২. যারা আগাম তথ্য ফাঁস করে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. হকারদের জন্য নির্দিষ্ট পুনর্বাসন জোন করে মূল ফুটপাত ও সড়ক ১০০% দখলমুক্ত রাখতে হবে।
উচ্ছেদের নামে লোক দেখানো অভিযান খুলনাবাসী আর দেখতে চায় না। আমরা বাস্তব দখলমুক্ত ফুটপাত চাই।
#খুলনা #ডাকবাংলা #ফুটপাতদখল #KCC #উচ্ছেদঅভিযান #কালান্তরনিউজ