রাজশাহী মহানগরীতে অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং ক্ষেত্রবিশেষে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা। অটোরিকশা চালকদের এই মনগড়া ভাড়া আদায়ের ফলে স্থানীয় জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
ভোক্তা ও সাধারণ যাত্রীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই রুটগুলোতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি টাকা দাবি করা হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির এই সময়ে হুট করে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা: এই ভাড়া নৈরাজ্যের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। সীমিত হাতখরচের মধ্যে এই বাড়তি আর্থিক চাপ তাদের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের হাফ-ভাড়ার দাবি: উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা অটোরিকশায় তাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা ‘হাফ-ভাড়া’ চালুর জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ভাড়া সংক্রান্ত যেকোনো নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ ও শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা: ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা মহানগরের রুটগুলোতে নির্ধারিত সঠিক ভাড়া কার্যকর করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।