শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
তিনি বলেন, পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিঘ্ন সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সুযোগসন্ধানী মহলের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। পূজার আনুষ্ঠানিকতা যেন আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সেটিই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
পরিদর্শনকালে তিনি প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পরে জেলার প্রাচীনতম ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর অন্যতম কালভৈরব মন্দিরের পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন।
এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৬২৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকীব উর রাজা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম।
জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সহসভাপতি সঞ্জিব চন্দ্র সাহা বাপ্পী, জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী এবং পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সভাপতি জীবন ভট্টাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।