ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে খুলনা মহানগরীতে সম্প্রতি কেনা নতুন মশার ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় পুরো চালান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষাগার থেকে পাওয়া ফলাফল পর্যালোচনা করে বিষয়টি সামনে আসে। কেসিসি সূত্রে জানা যায়, নতুন কেনা মশার ওষুধের মান ও কার্যকারিতা যাচাই করতে নমুনা দেশের তিনটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছিল।
পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, ওষুধ প্রয়োগের ৪৮ ঘণ্টা পরও প্রায় ১৫ শতাংশ মশার লার্ভা জীবিত রয়েছে। ফলে মশার লার্ভা নিধনে ওষুধটির কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার পর কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু পুরো চালানটি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দ্রুত আরও কার্যকর ও মানসম্মত মশার ওষুধ সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডেঙ্গুর প্রকোপের সময়ে মশক নিধন কার্যক্রমে কোনো ধরনের গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না। নতুন কীটনাশক নির্বাচনের ক্ষেত্রে কীটতত্ত্ববিদদের পরামর্শ ও সহযোগিতা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর কীটনাশক নিশ্চিত করে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছে কেসিসি প্রশাসন।