জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) আসন্ন আসরের জন্য কাগজে-কলমে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করেছে খুলনা বিভাগ। অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গঠিত দলটিতে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই রয়েছে যথেষ্ট গভীরতা।
খুলনার স্কোয়াডে থাকা অভিজ্ঞ ব্যাটারদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স। এনামুল হক বিজয়ের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটিং গড় ৪১.৪। তাঁর রয়েছে ৪৯টি অর্ধশতক ও ২৪টি শতক। অভিজ্ঞ মোহাম্মদ মিথুনের ব্যাটিং গড় ৩২.৩। অন্যদিকে উইকেটকিপার-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটিং গড় ৩৬.৯। তাঁর রয়েছে ২৩টি অর্ধশতক ও ১২টি শতক।
এছাড়া খুলনার ব্যাটিং লাইনআপে রয়েছেন জাতীয় দলের পরিচিত মুখ আফিফ হোসেন। তরুণদের মধ্যে আজিজুল হাকিমও দলের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর ব্যাটিং গড় ৬১.০। পাশাপাশি কালাম সিদ্দিকী ও শেখ পারভেজের মতো তরুণ ক্রিকেটাররাও রয়েছেন স্কোয়াডে।
বোলিং আক্রমণেও বৈচিত্র্য রেখেছে খুলনা বিভাগ। পেস বিভাগে রয়েছেন মেহেদি রানা ও সফর আলি। মেহেদি রানার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বোলিং গড় ২৯.২ এবং রয়েছে তিনটি পাঁচ উইকেটের ইনিংস। সফর আলির বোলিং গড় ১৯.৮ এবং তাঁর রয়েছে চারটি পাঁচ উইকেটের ইনিংস।
অভিজ্ঞতা, তারুণ্য, ব্যাটিং গভীরতা এবং বৈচিত্র্যময় বোলিং আক্রমণের সমন্বয়ে এবারের এনসিএলে খুলনা বিভাগকে কাগজে-কলমে শক্তিশালী দলগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাঠের পারফরম্যান্সেই অবশ্য নির্ধারিত হবে দলটির প্রকৃত শক্তি।