টেকসই নগরায়ণ, পরিকল্পিত আবাসন এবং পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। সঠিক মাস্টার প্ল্যান ও সরকারি নিয়ম মেনে গৃহনির্মাণ এবং গ্রিন এনার্জি ব্যবহারের মাধ্যমে রাজশাহীকে একটি আদর্শ ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানান তিনি।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির যৌথ আয়োজন করে বিভাগীয় প্রশাসন ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ)।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ইমারত নির্মাণের সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব ছাড় দেওয়া, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের সুযোগ রাখা এবং বিল্ডিং কোড মেনে অগ্নি ও ভূমিকম্প নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। একটি আদর্শ নগরায়ণে অন্তত ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত স্থান এবং ১০ থেকে ২০ শতাংশ সবুজ এলাকা ও জলাশয় সংরক্ষণ করা আবশ্যক। অননুমোদিত নকশায় ভবন নির্মাণ বা নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অতিরিক্ত তলা বাড়ানো নগরীকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে বলে তিনি সতর্ক করেন।
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন রুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আবদুল ওয়াকিল এবং আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ওম প্রকাশ নন্দী।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি প্রকাশ করেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মো. শামীম হোসেন, আরডিএ-এর প্রধান নির্বাহী মো. মশিউর রহমান এবং রেডার সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাভলু।
এর আগে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়।