জৈন্তাপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জানিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জৈন্তাপুরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে। শিক্ষা, যোগাযোগ, পর্যটন, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (রাজস্ব) আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জৈন্তাপুরের বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে রাস্তাঘাটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি সপ্তাহে অসংখ্য মানুষ এ এলাকায় ভ্রমণে আসেন।
পর্যটকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে জৈন্তাপুরে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে শহরের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জৈন্তাপুর বাজারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বর্তমান বাজার ভেঙে আধুনিক চারতলা মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
বাজারকে সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্নভাবে গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। আগামী সপ্তাহে জৈন্তাপুর বাজার থেকে টিএনও অফিস পর্যন্ত সড়কের উন্নয়নকাজও শুরু হবে।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নুমেরী জামান, গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল নোমান, জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাফিজসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।