খুলনায় সিএনজি ও অটোরিকশার ভাড়া, রুট ব্যবস্থাপনা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। কার্যকর তদারকির অভাবে প্রতিদিনই সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সড়ক ও রুটে সিএনজি ও অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে চালকদের সঙ্গে যাত্রীদের প্রায়ই বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছে। নির্ধারিত ভাড়া ও রুট ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্পষ্টতা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে চালকেরা নিজেদের মতো করে ভাড়া দাবি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে কিছু সিএনজি ও অটোরিকশা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক পরিবহনসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
নগরবাসীর প্রশ্ন, এসব অনিয়ম বন্ধে খুলনা বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত তদারকি কোথায়? দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প গণপরিবহন বা টাউন সার্ভিস চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হলেও কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান না হওয়ায় নির্দিষ্ট পরিবহনের ওপর যাত্রীদের নির্ভরশীলতা বাড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে রুটভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা চালু, ভাড়া নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নে নজরদারি, যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলো যাচাই করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে যাত্রীদের নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত চলাচল নিশ্চিত করা হবে।