মাগুরার শালিখা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের ক্রয়কৃত ২০১ শতাংশ জমি চেয়ারম্যানের নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সমিতির কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির চেয়ারম্যান মো. বাহারুল ইসলাম প্রকাশিত সংবাদকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সদস্যদের উপস্থিতিতে ও সর্বসম্মতিক্রমে জমি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পৃথক দলিলের মাধ্যমে মোট ২০১ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম দাবি করেন, সমিতির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনা এবং জমি ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে ক্রয়কৃত জমিগুলোর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি শুধু তাঁর নামে প্রদান করা হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে জমির মালিক তিনি বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এ বিষয়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে আমি কিংবা আমার পরিবারের কোনো সদস্য কখনোই এসব জমির মালিকানা দাবি করতে পারবো না।”
তিনি আরও বলেন, এই জমির প্রকৃত মালিক শালিখা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে এ ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সমিতির কয়েকজন সদস্যও চেয়ারম্যানের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, জমি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত সমিতির গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা অনুসরণ করেই গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি সাধারণ সদস্যদের অবগতির মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে পূর্বে যারা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বা প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।